লকডাউন ডায়েরি – ৩ মে, ২০২০

০৩.‌০৫.‌২০২০

সকাল ৮.‌৪৫

রোজ রাতে অফিস থেকে ফিরে শেষবারের মতো কনুই পর্যন্ত সাবান দিয়ে হাত ধুই। ফোন স্যানিটাইজ করি। ভাল করে পা ধুই। টি–শার্ট আর ট্রাউজার্স পরদিন কাচার জন্য ভিজিয়ে দিই। পরপর। যন্ত্রের মতো। এটাই এখন রুটিন। ভালই বোধহয়। নাকি বোরিং?‌ জানি না। জীবনটা স্যানিটাইজার–সর্বস্ব হয়ে গেল। হেল্‌থ–হাইজিন তো অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু এতটা বাড়াবাড়িও কি ভাল?‌ এরপর তো বলবে, সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রেকফাস্টের আগে আর বিকেলে চা খাওয়ার পর এক চামচ করে ডেটল খেতে!‌

সকাল ১০.‌১০

আকাশ কাঁপিয়ে একটা হেলিকপ্টার উড়ে গেল। বেশ নীচু দিয়ে। একঝলক দেখে মনে হল এমআই–১৬। যেমন বায়ুসেনায় ব্যবহার করা হয়। কিন্তু হেলিকপ্টার কেন?‌ ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছে নাকি?‌ বহুদিন পর এত কাছ থেকে একটা অন্তরীক্ষযান দেখলাম। আওয়াজ পেয়েই ওয়ার্কআউট করতে করতে দৌড়ে বারান্দায় গিয়েছিলাম। রেলিং ধরে হাঁ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। যতক্ষণ না কপ্টারটা মেঘের আড়ালে মিলিয়ে গেল। তারপরেও অনেকক্ষণ কান পেতে রইলাম, যতক্ষণ তার অতিকায় রোটর ব্লেডের আওয়াজ দিগন্তে মিলিয়ে যায়।

২০১১ সালের ভোটের প্রচারে তদানীন্তন হবু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গোটা রাজ্যের আকাশে হেলিকপ্টারে ঘোরার অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু সেসব ভদ্র কপ্টার। প্রথমে ছিল একটা বড় হেলিকপ্টার। সেটা বিকল হয়ে যাওয়ায় দিল্লি থেকে এসে পৌঁছল পবনহংসের একটা পুঁচকে, মিষ্টি এবং বাহারি কপ্টার। এয়ারকন্ডিশন্‌ড। ভিতরে চাইলে কথা বলা যায়। হেডফোন লাগে না। কিন্তু বায়ুসেনার অতিকায় এমআই–১৬ ইজ আ ডিফারেন্ট বলগেম। আর এমআই–১৬ মানেই আন্দামান আর পোর্ট ব্লেয়ার।

২০০৫ সালের ডিসেম্বরে সুনামির একবছর পূর্তি। সুনামির কভারেজে গিয়েছিলাম দক্ষিণ ভারতে। বর্ষপূর্তিতে ঠিক হল, প্রথমে আন্দামান–নিকোবর ঘুরে তারপর যাব দক্ষিণ ভারতে। সিরিজ লিখতে। বিষয়:‌ একবছর পর সুনামির ক্ষত কতটা নিরাময় হল।

এখন কী হয়েছে জানি না। বহুদিন প্লেনে চড়াও হয় না। বন্ধুবান্ধব প্রশ্ন করলে খুব সিরিয়াস মুখ করে বলি, পাসপোর্ট ইমপাউন্ডেড হয়ে গিয়েছে। তাই প্লেনে ওঠা বারণ। তারা অবাক হয়ে প্রশ্ন করে, পাসপোর্ট কেন বাজেয়াপ্ত হল?‌ আরও গম্ভীর হয়ে বলি, সেসব অনেক গূহ্য কথা। পাবলিকলি বলা যাবে না। যাকগে। কিন্তু তখন কলকাতা থেকে দিনের প্রথম উড়ানটাই ছিল পোর্টব্লেয়ারের। সকাল সকাল এয়ারপোর্টে নেমে হোটেলে গিয়ে দেখলাম, সেখানে আগে থেকেই মজুত ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’এর সুব্রত নাগচৌধুরী, ‘টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া‘র শৈবাল সেন আর ‘দ্য টেলিগ্রাফ’এর রিপোর্টার বাপ্পা মজুমদার এবং ফটোগ্রাফার প্রদীপ সান্যাল। ওদের কাছে যা জানলাম, সে এক কেলেঙ্কারি!‌ পোর্টব্লেয়ার থেকে একেকটা সুনামি–বিধ্বস্ত দ্বীপে যেতে জলপথে লাগে ৫৬ থেকে ৭০ ঘন্টা!‌ অতদিন ধরে ট্রাভেল করলে কপি ফাইল করা হবে কী করে?‌ আর আন্দামানে নামলেই তো মোবাইলটা পেপারওয়েট হয়ে যায়। কারণ, সেখানে কোনও বেসরকারি সার্ভিস প্রোভাইডার কাজ করে না। ভরসা একমাত্র ভিএসএনএল। তার উপর ভরসা করে কি আর কপি পাঠানোর রিস্ক নেওয়া যায়?‌ তা–ও আবার বঙ্গোপসাগরের বুক থেকে?‌

কী করি?‌ কী করি?‌

ব্ল্যাকে একটা ভিএসএনএল সিম যোগাড় করে রাতের দিকে কপাল ঠুকে ফোন লাগালাম ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে। কয়েকটা রিং হওয়ার পর ভেসে এল প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পরিচিত গলা, ‘হেলু। বল।’

— দাদা, আপনার কাছে কোনওদিন কোনও সাহায্য চাইনি। কিন্তু এখন একটা বিপদে পড়ে ফোন করছি। সুনামির অ্যানিভার্সারি কভারেজে এসে পোর্টব্লেয়ারে স্ট্র্যান্ডেড হয়ে আছি। বোটে করে দ্বীপগুলোয় যেতে দু’দিন, তিনদিন লাগবে। ডেসপ্যাচ পাঠাতে পারব না। আই নিড এয়ারলিফ্‌ট।

দিল্লির তালকাটোরা রোডের বাড়ি থেকে অভয়বাণী এল, ‘তোর এই নম্বরে আধঘন্টার মধ্যে একজন ফোন করবে। যা দরকার তাকে বলে দিস। অল দ্য বেস্ট!‌’

দম ধরে বসে রইলাম। আধঘন্টা নয়, ১৫ মিনিটে দিল্লির ল্যান্ডলাইন নম্বর ভেসে উঠল স্ক্রিনে। ভারতীয় বায়ুসেনার তৎকালীন এয়ার ভাইস মার্শাল বললেন, ‘গুড ইভনিং স্যার। অনারেব্‌ল ডিফেন্স মিনিস্টার হ্যাজ ব্রিফড মি। কাল সকালে পোর্টব্লেয়ার এয়ারবেসে চলে যান। সেখানে একটা এমআই–১৬ হেলিকপ্টার আর একটা ডর্নিয়ার এয়ারক্রাফ্‌ট থাকবে আপনার জন্য। আমি এখনই মেসেজ পাঠিয়ে দিচ্ছি।’

ফোন ছেড়ে সকলকে কেসটা বললাম। সুব্রত’দা বলল, ‘আমি তো অনেক আগে এসেছি। আমার দ্বীপগুলোয় ঘোরা হয়ে গিয়েছে। আমি কলকাতায় ফিরে সিরিজ লিখব।’ আর ভ্যাটকানো মুখে বাপ্পা, শৈবাল, প্রদীপ বলল, ‘তোমার তো হিল্লে হয়ে গেল। আমাদের যে কী হবে‌‌!‌’

ওদের সটান বললাম, ‘আমি একা যাব না। তোদের সকলকে নিয়ে যাব। তোদের কলম তোদের। আমার কলম আমার। যে যার মতো লিখব। দেখা যাক না তোরা কী লিখিস আর আমি কী লিখি!’ পরদিন সকালে বিশেষ জ্যাকেটে সজ্জিত আমাদের চারজনকে নিয়ে আন্দামানের আকাশে উড়ল অতিকায় এমআই–১৬। এবং তারপর আরও তিনদিন। বাকি দু’দিন ডর্নিয়ারে। কে কী লিখেছিলাম, সেটা খবরের কাগজের ইতিহাসের মহাফেজখানায় রাখা আছে নিশ্চয়ই। কিন্তু সেই প্রথম দানবীয় এমআই–১৬ কপ্টারে চড়া। সেই শেষ।

বাড়ির উপর দিয়ে সেই দানবকে উড়ে যেতে দেখে ঝপ করে ১৫ বছর আগের কথা মনে পড়ে গেল। একইসঙ্গে মনে হল পাশে একটা অপু থাকলে বলতাম, করোনা সেরে গেলে আমাকে একদিন হেলিকপ্টারে চড়াবি?‌

বেলা ১১.‌২৫

অনেকক্ষণ ধরে বাইরে একটা যান্ত্রিক আওয়াজ হচ্ছে। থামছেই না। ঘর ‘মপ’ করতে করতে শুনছিলাম। কৌতূহল হওয়ায় আবার বারান্দায় গিয়ে দেখলাম, কাছের পার্কে দু’জন মহাকাশচারী নেমেছে। চমক লাগল!‌ আজ সকাল থেকে টেরিফিক গরম পড়েছে। ঝালাপালা অবস্থা। হ্যালুসিনেট করছি না তো গরমের চোটে?‌

কিছুক্ষণ ঠাহর করে বুঝলাম, ওঁরা আসলে গরিবের পিপিই পরা পুরকর্মী। স্প্রিঙ্কলার থেকে প্রাণপণে জীবাণুনাশক ছড়াচ্ছেন চারদিকে। সেই মেশিনের আওয়াজটাই কানে আসছিল। ভাবলাম, আমাদের বাড়ির দিকে এলে একটু মন দিয়ে দেখব। যদি আলাপ করা যায়। কিন্তু দু’জনই অন্যদিকে চলে গেলেন। ধুস!‌

দুপুর ১.‌০৫

অসমসাহসিক একটা কাজ করেছি। ট্রিমার দিয়ে মাথার দু’পাশের চুল প্রায় ন্যাড়া করে ফেলেছি। দাড়ি রাখার সময় ট্রিমারটা কিনেছিলাম। সেলুনে যাওয়ার সময় না পেলে নিজেই ট্রিম করে নিতাম। আজ সেই স্কিলটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। দু’পাশ আর সামনেটা মন্দ হয়নি। দিব্যি হাওয়া খেলছে। হাল্কা হাল্কা লাগছে। কিন্তু পিছনটা বোধহয় গুবলেট হয়ে গেল। মাথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আয়নায় যা দেখলাম, তাতে মনে হচ্ছে খাবলা খাবলা হয়ে আছে। কেরদানি দেখানোটা বোধহয় উচিত হল না। কিন্তু এখন আর কিছু করার নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মরুক গে। না হয় কয়েকদিন টুপি পরে থাকব!‌ এখন বেরিয়ে চেতলা যেতে হবে। ইনস্টুর শরীরটা খারাপ।

দুপুর ২.‌০০

ডাক্তার ব্যানার্জির ওষুধে ইনস্টু একটু বেটার। কিন্তু কিছুতেই ছাড়তে চাইছিল না। লবঙ্গও। ওর সঙ্গে আজ একটু নোজি–নোজি খেলেছি। যদিও আমার নাক মুখোশে ঢাকা ছিল। এরা এত ভদ্র বাচ্চা যে কী বলব!‌ আর কী ‌ভাল যে বাসতে পারে! অ্যাবসোলিউট অ্যান্ড আনকন্ডিশনাল লাভ। এ জিনিস অধিকাংশ মানুষই দিতে পারে না। বেড়ালও নয়। কারণ, দেখলাম বঙ্কু আজও আমায় কমপ্লিট ইগনোর দিল। একটু ধাওয়া করেই কোলে নিলাম। ছটফটিয়ে উঠল। থাকতেই চাইছিল না। এরপর আমি ওকে পাত্তা না দিলে বুঝতে পারবে। লকডাউনটা যাক তারপর হচ্ছে ওর!‌

দুপুর ৩.‌৪০

রাস্তার পাশে ফলের গাড়ি নিয়ে পসরা বসেছে দেখে থেমেছিলাম। বাবা–মায়ের ফল আজই শেষ হয়ে যাচ্ছে। মনে হল কিনে নিই। ফলওয়ালার ডানবাহুতে উল্কি দিয়ে লেখা ‘কমল’। তোমার নাম?‌ মলিন শার্ট–ট্রাউজার্সের যুবক বলল, ‘নাহ্‌, আমার বন্ধুর নাম। বন্ধু গ্রামের বাড়িতে থাকে।’

শুনে এত অবাক হলাম যে, কেন লিখেছে প্রশ্ন করতেও ভুলে গেলাম। ট্যাটু বা উল্কি করানো নিয়ে বরাবর একটা ভীতি আছে। শুনেছি বেদম ব্যথা লাগে। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, যারা ট্যাটু করায় তারা সাহসের জন্য পরমবীরচক্র পেতে পারে। কিন্তু বন্ধুর নাম হাতে উল্কি করে রেখেছে কেউ, এটা প্রথম দেখলাম। সাধারণত, স্ত্রী, বান্ধবী স্বামী কিম্বা পার্টনারের নাম লেখায় লোকে। ঠাকুরদেবতা বা অন্যকিছুর ছবি–টবিও উল্কি করায়। কমল কি ওর পার্টনার?

ফলওয়ালাকে প্রশ্ন করলাম, নাম কী তোমার?‌

— জগদীশ।

তুমি কি জানো তোমার নামে একটা বিখ্যাত লাইন আছে?— ‘তুমি যা জিনিস, জানে জগদীশ’।

মাস্কের আড়ালে জগদীশ হাসল। ভারী মিষ্টি, সরল এবং নিরপরাধ হাসি। সময় ছিল না। অফিসে পৌঁছনোর তাড়া ছিল। নইলে কমলের বন্ধুকে একটু কাল্টিভেট করা যেত।

বিকেল ৪.‌৪০

অফিসে ঢুকতেই হইহই কাণ্ড!‌ আমার হেয়ারকাট নিয়ে। পিছনটা যে ভালরকম ঘেঁটেছি বুঝতে পারলাম। কিন্তু অ্যাজ ইফ কিছুই হয়নি মার্কা মুখ করে ঘুরছি। বুদ্ধি করে ট্রিমারটা নিয়ে এসেছি। গাড়িতে আছে। শুনে শুভা’দা বললেন, রাতে পেজ ছাড়ার পর পিছনটা ট্রিম করে দেবেন। দেখা যাক।

হেলিকপ্টার রহস্য ভেদ হল। করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাতে দেশজুড়ে আজ বিভিন্ন হাসপাতালের উপর পুষ্পবৃষ্টি করা হয়েছে। আমি যেটা দেখেছিলাম, সেটা রাজারহাটের কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পুষ্পবৃষ্টি করে উড়ে যাচ্ছিল।

কাল মুম্বইয়ের বাড়িতে ঋষি কাপুরের স্মরণসভা হয়েছে। সেখানে ছিলেন নীতু আর রণবীর। কন্যা ঋদ্ধিমা দিল্লি থেকে রওনা দিয়েছিলেন সড়কপথে। কিন্তু রাতের আগে মুম্বইয়ে পৌঁছতে পারেননি। ততক্ষণে স্মরণসভা শেষ। নীতু ইনস্টাগ্রামে প্রয়াত স্বামীর একটা ছবি দিয়েছেন। হাস্যমুখ ঋষি হাতে হুইস্কির গ্লাস নিয়ে। নীতু লিখেছেন, ‘এন্ড অফ আওয়ার স্টোরি’। সেটা ফেসবুকে শেয়ার করে দেখলাম অয়ন লিখেছে, ‘ সুতপা একটা দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছিলেন, নীতু অল্প চারটে শব্দ। গভীরতা সমান। বিউটি অফ লাইফ। এমব্রেস অ্যাজ ইট কামস।’

সন্ধ্যা ৭.‌১০

রাজ্যপাল এবার দূরদর্শনে ভাষণ দিলেন। টুইট, সাংবাদিক বৈঠক, চিঠির পর এবার সরাসরি ভাষণ। যেখানে তিনি বলেছেন, রেশন নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। ওই খাদ্যশস্য কেন্দ্রীয় সরকার পাঠাচ্ছে। শাসকদল–সহ রাজ্যের কোনও রাজনৈতিক দলই সেটা নিজেদের বলে দাবি করে তা বিতরণ করতে পারে না। অর্থাৎ, পরোক্ষে আবার রাজ্য সরকারকে লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ।

তবে শুনলাম, রাজ্য সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না। এক মন্ত্রীকে ফোন করেছিলাম। বললেন, ‘ধুস, ফালতু।’ মনে হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীও তেমনই মনে করছেন— ফালতু!‌

সন্ধ্যা ৭.‌৩৭

কাল থেকে মদের দোকান খুলছে। সেটা তো ঠিকই ছিল। দিকে দিকে খুশির হাওয়া। শুনছি হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপে বিশাল আলোচনা চলছে। কলকাতায় কোন কোন দোকান খোলা থাকবে, তার লিস্ট চালাচালি হচ্ছে। যা অবস্থা, তাতে ল অ্যান্ড অর্ডার প্রবলেম না হয়!‌ দীপাঞ্জন একটা হোয়াট্‌সঅ্যাপ পাঠিয়েছে। দেখে মনে মনেই হাসছিলাম— ‘কাল ওয়াইন শপ খোলার আগে ভারত সরকার একটি হৃদয়স্পর্শী আবেদন করেছে। সকলে মদ্যপান করে সোজা বাড়ি যান। কেউ আবার চিনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চলে যাবেন না’!‌

রাত ১০.‌০৬

কাগজ ছাড়ার পর গাড়ি থেকে ট্রিমার নিয়ে এলাম। তারপর বারান্দায় খবরের কাগজের জামা পরে বাধ্য ছেলে হয়ে বসলাম। দন্তরুচির পর শুভা’দা আবার দেবদূতের ভূমিকায় অবতীর্ণ। এবার ট্রিমার হাতে। ট্রিমারের প্রভূত প্রশংসা–সহ পিছনটা মিলিয়ে দিলেন। দেবাশিস আবার পুরোটা ভিডিও করে রেখেছে। পরে নাকি ফেসবুকে শেয়ার করবে। ও ইদানীং বেজায় ভাল অডিও–ভিস্যুয়াল বানাচ্ছে। ইরফানকে নিয়ে একটা অসামান্য ট্রিবিউট তৈরি করেছে। সেটা আজকাল অনলাইন শেয়ারও করেছে। দেবাশিসকে বললাম ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক–টিউজিক দিয়ে একটা শর্ট ফিল্ম মতো করতে।

ছবির নায়ক— চুলবুল পান্ডে।

‌‌

2 thoughts on “লকডাউন ডায়েরি – ৩ মে, ২০২০

  1. আপনার ফিরে দেখা স্টোরি গুলো অসাধারণ হয়। আমার জামাইবাবু খুন হন 2004 এর সপ্তমী র রাত্রে। পরের বছর আপনি ওই ঘটনার ওপর যে খবর টি করে ছিলেন সেটা পড়ে সকলের চোখে জল চলে এসেছিল। সেই থেকে আপনার একটা ধন্যবাদ পাওনা ছিল। শুভেচ্ছা। দেবাশীষ মানে দেবা দত্ত?

    Like

    1. আপনি বোধহয় ‘অন্য পুজো’র কোথা বলছেন। অনেক ধন্যবাদ। দেবাশিস হল, দেবাশিস পোদ্দার। আমার অনুজ সহকর্মী।

      Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s