লকডাউন ডায়েরি – ২৫ এপ্রিল, ২০২০

২৫.‌০৪.‌২০২০। ‌শনিবার

ভোর ৫.‌২৬

লকডাউন চলাকালীন এই প্রথম সারাটা রাত ঘুম এল না। সারা রাত ধরে ঘুমোনর চেষ্টা করলাম। অথচ স্নায়ু নিজের বশে রইল না। রিল্যাক্স করতে পারলাম না। সর্বদা টানটানই রয়ে গেল। খোলা চোখের সামনে দিয়ে স্লাইডের মতো সরে সরে যাচ্ছিল নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা। বিভিন্ন দৃশ্য। মনে হচ্ছিল, কাল যদি চলে যাই, কী রেখে যাব পিছনে। লিগ্যাসির মতো ভারী শব্দ বলতে চাই না। জাস্ট জীবনের কিছু বাঁক। কিছু মোমেন্ট। মনে হচ্ছিল, যেন কোনও রিগ্রেট না থাকে। কোনও আফশোস না থাকে।
চোখের সামনে একটু আগে আলো ফুটে গেল। চারদিকে পাখিদের কিচিরমিচির শুরু হল। এপাশ–ওপাশ থেকে ইতিউতি আওয়াজ ভেসে আসতে শুরু করল। বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লাম। কিন্তু উঠে কী করব বুঝতে পারছি না।

সকাল ৯.‌১৫

চারটে ঘন্টা কেটে গেল। স্রেফ কিছু না করে। সেভাবে কোনওকিছু না ভেবেই। ওহ্‌, মাঝখানে একবার চা করলাম। ওইটুকুই। কেন আজ এইরকম হচ্ছে?‌ এত কাছাকাছি মৃত্যুর অভিঘাত কি আমায় পেড়ে ফেলল?‌ কিন্তু দিনের পর দিন অ্যাসাইনমেন্টে তো প্রচুর মৃত্যু দেখেছি!‌ দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, টেররিস্ট অ্যাটাক, ভূমিকম্প, সুনামি— হাজার হাজার লাশ দেখেছি। একটা সময়ে মনে হতো, সেভাবে কিছুই আর স্পর্শ করে না। ‘নায়ক’–এ উত্তমকুমারের চরিত্র যেমন বলেছিল, মৃত্যুর প্রতি কেমন একটা ক্যালাস অ্যাটিটিউড এসে গিয়েছিল।

তাহলে?‌ এত বিচলন কেন?‌

সকাল ৯.‌২৬

গতকাল মধ্যরাতে ‘শপ্‌স অ্যান্ড এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট’ অনুযায়ী দেশের সমস্ত স্ট্যান্ড অ্যালোন দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে সিঙ্গল ব্র্যান্ড আর মাল্টি ব্র্যান্ড মল এবং মার্কেট কমপ্লেক্স বন্ধই থাকবে। কিন্তু টিভি–তে খবরটা ব্রেক করার পর থেকেই দেখছি ক্যালক্যাল করে পাড়ার দোকান আর সেলুন খুলে দিয়েছে লোকজন। সারা রাজ্য জুড়ে দোকান খোলার এমন হিড়িক পড়েছে যে, পুলিশকে গাড়িতে মাইক লাগিয়ে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে বলতে হচ্ছে, ‘আপনারা দোকান খুলবেন না। আমাদের কাছে এখনও তেমন কোনও নির্দেশ আসেনি।’ বোঝো কাণ্ড! ‌

কলকাতায় একটা সেলুনের মালিক তো টিভি–তে বাইটও দিয়ে দিলেন!‌ ভিতরে সিলিং ফ্যান চলছে। একজন চেয়ারে বসে দিব্যি চুল কাটাচ্ছেন। মালিক বললেন, ‘সেলুন এতদিন বন্ধ ছিল। আজ সকাল থেকেই খুলে দিয়েছি। লোকজন আসছেন চুল কাটাতে।’ শুধু বললেনই না। একটু সাইডে সরে গিয়ে টিভি ক্যামেরাকে জায়গা করে দিলেন ভিতরের ছবি তোলার জন্য। তাঁর এক সাইডকিক বাঁ’পাশ থেকে টিভি ক্যামেরার দিকে মুখ বাড়িয়ে দিল।

কিন্তু সেলুন খুলে দিয়ে কি ঠিক করা হল?‌

কিছুদিন আগে বিপ্লব একটা খবরের লিঙ্ক পাঠিয়েছিল। খুলে দেখলাম, আমেরিকার স্বাস্থ্যবিভাগের প্রধান জে অ্যান্টনি বলেছেন, আমেরিকায় করোনায় মোট মৃত্যুর ৫০ শতাংশ হয়েছে সেলুন থেকে সংক্রমিত হয়ে। অ্যান্টনি বলেছেন, ‘পুরোপুরি করোনামুক্ত হওয়ার আগে আমরা সেলুনে গিয়ে চুল কাটানোর কথা ভাবছিই না। যারা চুল কাটে, তারা বহু মানুষের সংস্পর্শে আসে। ওদের তোয়ালে, ক্ষুর, কাঁচি, ব্রাশ, চেয়ার বহু লোক ব্যবহার করে। ফলে এখন তো বটেই, করোনা চলে যাওয়ার পরেও এই বিপদটা থেকে আমাদের সাবধান থাকতে হবে।’

সেটা পড়েই জিডি মার্কেটের কালীদের কথা মনে হয়েছিল। সবে পুরনো সেলুন থেকে তিনজন কাজ ছেড়ে একটা নতুন সেলুন ভাড়া নিয়েছিল। টাকা ইনভেস্ট করে সাজিয়ে–গুছিয়ে নতুন সেট আপ চালুও করেছিল। করোনা সংক্রমণ শুরু এবং লকডাউনের পর সেলুন বন্ধ করে কালী ওর কল্যাণীর বাড়িতে চলে গিয়েছে। একদিন ফোন করে খোঁজও নিলাম। কবে আবার সেলুন খুলতে পারবে, কোনও ঠিক নেই। আদৌ পারবে তো?‌ ওই মার্কিন স্বাস্থ্যকর্তার কথা ঠিক হলে তো সেলুনে গিয়ে চুল কাটানোটাই উঠে যাবে!‌ কী করবে কালীরা?‌

সকাল ১০.‌১৩

অর্ণবের নামে সারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ থানায় অজস্র এফআইআর করেছিল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার রাতে সেটা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন ওর আইনজীবী। কাল সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, নাগপুরের এফআইআর–টা ছাড়া সব খারিজ। সেই মামলাও নিয়ে আসতে হবে মুম্বইয়ে। অর্থাৎ, অর্ণব যেখানে বেস্‌ড। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছে, অর্ণব এবং রিপাবলিক টিভি–কে বিশেষ নিরাপত্তা দিতে। অর্ণবের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে অ্যাপিয়ার করেছিলেন মুকুল রোহতগি এবং সিদ্ধার্থ ভাটনগর।

প্রথমদিনই এফআইআরের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, তিন সপ্তাহের জন্য আবেদনকারীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি বা ওই ধরনের কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। ওই তিন সপ্তাহের মধ্যে অর্ণব আদালতে আগাম জামিনের আবেদনও করতে পারবে। অতঃপর শীর্ষ আদালতের চূড়ান্ত রায়ে একটি ছাড়া সব এফআইআর খারিজ। অন্তত সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের করা টুইটে তেমনই বলা হয়েছিল।

কিন্তু মন বলছে, পিকচার আভি বাকি হ্যায়। বহত বাকি হ্যায়।

বেলা ১১.‌১২

হিমানীশের সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হল। দাঁতের খবর নিতে ফোন করেছিল। বিস্তারিত শুনে–টুনে বলল, একদম ঠিক ডিসিশন নিয়েছে। আমিও এক্স–রে না করে দাঁত তোলাটা কোথাও একটা মানতে পারছিলাম না। এটা ঠিক হয়েছে। তারপর যথারীতি আলোচনা ঘুরে গেল কোভিডে। ও বলছিল, এই এপ্রিল মাসে সাধারণত কারও জ্বর, সর্দি, কাশি হয় না। ফলে এখন তেমনকিছু হলে প্রথমেই যে করে হোক টেস্টটা করাতে হবে। নিয়মিত রোগী দেখছে হিমানীশ। ওর মতে, আগামী ২ সপ্তাহ অবস্থা চরমে উঠবে। এখন রাস্তায় বেরোলেই সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা।

বাল্যবন্ধু বলল, ‘দিনে অন্তত দু–বার টেম্পারেচার মাপ। আমি তো দিনে তিনবার করে আমার, বউ আর মেয়ের টেম্পারেচার মাপছি।’

আরও বলল, ‘ভারতে এতদিন ধরে লকডাউন করা হয়েছে বলে তা–ও কার্ভটা কমের দিকে আছে। কিন্তু লকডাউন হল আদতে পজ বাটন। সেটা দিয়ে প্যানডেমিক সারানো যায় না। পিকে পৌঁছনোটা ঠেকিয়ে রাখা যায়। রাহুল গান্ধী একদম ঠিক বলেছে। শিক্ষিত লোক তো। পড়াশোনাটা করেছে। কেরালা যা করেছে, এখন সেটা সকলের করা উচিত। ধরে ধরে টেস্ট করো আর আইসোলেট করো। প্যানডেমিকের একমাত্র রেমিডি হল আইডেন্টিফাই অ্যান্ড আইসোলেট। সেটা কেরালা করতে পেরেছে ওদের রাজ্যের লোকজন ভদ্র আর কথাবার্তা শুনেছে বলে। হাইট অফ পিকটাকে যে অ্যাডমিনিস্ট্রেশন যত ভালভাবে ডিল করতে পারবে, তত মৃত্যু কমাতে পারবে।’

তাহলে কি লকডাউন তোলা উচিত নয়?‌ ৩ তারিখ তো আসছে।

হিমানীশ বলল, লকডাউন তোলা উচিত সেইসমস্ত এলাকায়, যেখানে লকডাউন চলার সময় নতুন করে কোভিড ধরা পড়েনি। সেখানে র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং করে করে ম্যাপ তৈরি করাতে হবে। ব্লকে ব্লকে পপুলেশন টেস্ট করতে হবে। তারপর বিশেষজ্ঞদের একটা কাট–অফ লাইন তৈরি করতে হবে। যেমন ধরা যাক, প্রতি তিন হাজার মানুষের বসতি এলাকায় দু’জন বা তিনজন করে করোনা পজেটিভ হলে ধরে নিতে হবে সেখানে গণ সংক্রমণ হয়নি। এই জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করে একটা ‘গ্রিন জোন’ বানাতে হবে। তারপর সেখানে লকডাউন তুলে সেখান থেকেই খাবার–দাবার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহ করতে হবে। বাকি এলাকাগুলোয় আরও কঠোর করে লকডাউন এনফোর্স করাতে হবে। দরকারে কার্ফু জারি করে। পুরো এলাকা শাটডাউন করে।

কিন্তু আমাদের মতো ১৩০ কোটির দেশে কি এটা সম্ভব?‌

দুপুর ১.‌৫৮

আজ গুরুদেবের ৮০ তম জন্মদিন। ফেসবুকে দেখলাম। বসে বসে ভাবছিলাম ‘সেন্ট অফ আ ওম্যান’–এ অন্ধ কর্নেলের চরিত্রটা। জীবনের একমাত্র অস্কারটা ওই রোলের জন্যই পেয়েছিলেন। আরও বেশি মনে পড়ে টিনএজার সুন্দরীর কোমর জড়িয়ে ট্যাঙ্গো নাচ। একবারও মনে হয়নি চক্ষুষ্মান। টেরিফিক!‌ আর প্রায় শেষদিকে টেবিলে অন্ধের যষ্টিটি চাবকে আপাত–অপরিচিত অথচ স্নেহাস্পদ কিশোরের পাশে দাঁড়ানো ভাষণের কথা— ‘ইউ ডোন্ট নো হোয়াট আউট অফ অর্ডার ইজ। আই উড হ্যাভ শোন ইউ। বাট অ্যাম টু ওল্ড। অ্যাম টু টায়ার্ড। অ্যাম টু ফাকিং ব্লাইন্ড।’

গায়ে কাঁটা দেয়!‌

কতবার যে ইউটিউবে গিয়ে শুনেছি আর অন্যদের শুনিয়েছি!‌ আজও শুনলাম। জাস্ট ওই ৭ মিনিট ৩ সেকেন্ডের সামান্য বক্তৃতাটা। যতদিন বাঁচব, ততদিন শুনব। উপায় থাকলে কানে লুপে দিয়ে রাখতাম। নিজের জীবনের দর্শনকে সেলুলয়েডে এত জোরালভাবে সার্টিফায়েড হতে আর কখনও শুনিনি। আল পাচিনোকে লোকে ‘গডফাদার’–এর মাইকেল কর্লিওনে বা ‘স্কারফেস’–এর জন্যও মনে রাখবে ঠিকই। কিন্তু লেফটেনান্ট কর্নেল ফ্রাঙ্ক স্লেডের ওই ৭ মিনিট ৩ সেকেন্ড আমার কাছে আজীবন মোটিভেশন কার্ড হয়ে থেকে যাবে। যেখানে তিনি বলছেন, ‘হি ওন্ট সেল এনিবডি টু বাই হিজ ফিউচার। অ্যান্ড দ্যাট্‌স মাই ফ্রেন্ডস, ইজ কল্‌ড ইন্টিগ্রিটি। দ্যাট্‌স কল্‌ড কারেজ। অ্যান্ড দ্যাট্‌স দ্য স্টাফ লিডার্স শুড বি মেড অফ!‌’

গায়ে কাঁটা দেয়!‌

দুপুর ৩‌.‌০৮

যে চ্যানেলে সেলুনওয়ালার বাইট দেখানো হচ্ছিল, তারাই এখন জানাচ্ছে যে সেলুন, স্পা এবং মাসাজ পার্লার কোনওমতেই খোলা যাবে না। খোলা যাবে না মদের দোকানও।

সন্ধ্যা ৭.‌০০

কেন্দ্র–রাজ্য তরজা অব্যাহত। রাজ্যে সফরকারী কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল একের পর এক চিঠি লিখছে মুখ্যসচিবকে। আজ যেমন উত্তরবঙ্গে সফররত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে কোনওরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে না।

যে লেভেলে চিঠি চালাচালি চলছে, তাতে তো মনে হচ্ছে এই প্রতিনিধিরা যতক্ষণ রাস্তায় না থাকেন, ততক্ষণই চিঠি লেখেন!‌‌ এঁরা চিঠি লিখছেন। রাজ্যপাল চিঠি লিখছেন। শুধু একটা নয়। মুখ্যমন্ত্রীর পাঁচপাতার চিঠির জবাবে প্রথমে পাঁচপাতা এবং পরদিন ১৪ পাতা মিলিয়ে মোট ১৯ পাতার চিঠি লিখলেন!‌ হচ্ছেটা কী?‌ তারপর মনে হল, আসলে রাজ্যপালই হোন বা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি— সকলেই তথ্য বা পক্ষান্তরে অভিযোগগুলো সরকারিভাবে নথিভুক্ত করে রাখতে চাইছেন। যাতে ভবিষ্যতে রেকর্ড হিসেবে কাজে লাগে। আরও মনে হচ্ছে, প্ল্যান করে দু–দিক থেকে সাঁড়াশি আক্রমণে নেমেছে বিজেপি। যাতে রাজ্য প্রশাসনকে ইরিটেট করা যায়। প্রশাসন এই ফাঁদে পা দিলে ঘেঁটে যাবে।

মনে হচ্ছে এই গুবলু সহজে থামার নয়। বরং শেষপর্যত আইন–আদালত পর্যন্ত যেতে পারে। তখন এই চিঠিপত্রগুলো সরকারি তথ্য হিসেবে কাজে লাগানো হবে।

সন্ধ্যা ৭.‌১০

ডেরেক একটা মহৎ কাজ শুরু করেছে। রোজ সন্ধ্যায় একবার করে রাজ্যের আপডেট দেয় নিয়ম করে। আজ লিখেছে—
অ্যাক্টিভ কেস:‌ ৪২৩
গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত:‌ ৩৮
সুস্থ:‌ ১০৫
মোট টেস্ট:‌ ৯,৯৮০
গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট:‌ ৯৪৭
মৃত:‌ ১৮
হোম কোয়ারেন্টিনে:‌ ২৩,৬১৮
প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে:‌ ৫,২১৫

অন্যদিকে, সারা দেশে মার্চ মাসের পর থেকে আজই প্রথম সবচেয়ে কম রইল সংক্রমণের বৃদ্ধির হার। মাত্রই ৬ শতাংশ।

রাত ১০.‌৪৮

খুব এলোমেলোভাবে কেটে গেল দিনটা। কাজের ফাঁকে ফাঁকে অন্যমনস্ক হয়ে, জীবনের বিভিন্ন দোলাচলের কথা মনে করতে করতে। আশা করি, রাতে একটু ঘুম আসবে। কারণ, আজ সারাদিন ধরে নেভি ব্লু পিনস্ট্রাইপ্‌ড স্যুটে সজ্জিত এক অন্ধ প্রৌঢ় জীবনের টাচস্টোন হয়ে এসে কানে কানে বলে গিয়েছে, ‘আই অলওয়েজ ন্যু, হোয়াট দ্য রাইট পাথ ওয়াজ। উইদাউট একসেপশন, আই ন্যু…‌ ইট্‌স দ্য পাথ অফ প্রিন্সিপ্‌ল দ্যাট লিড্‌স টু ক্যারেকটার।’

ঠিকই। আমি সবসময় দ্বিধাহীনভাবে জেনেছি কোন পথটা ঠিক। জানতাম ‌ওটা নীতির রাস্তা। যা চরিত্র গঠন করে। সেই রাস্তা থেকে কখনও সরে আসিনি। ভাগ্যিস!‌ নো রিগ্রেটস।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s