‌লকডাউন ডায়েরি – ৮ এপ্রিল, ২০২০

৮.‌০৪.‌২০২০। বুধবার

দুপুর ১২.‌১১

সকাল থেকে কিছু লিখিনি আজ। কিছু লেখার ছিলও না বিশেষ। নতুন কিছু ঘটলে তো লিখব। চারদিকে সেই হাহাকার। কাঁহাতক আর লেখা যায়!‌

আজ সকাল থেকে বাইরে রোদের তেজ কিছু কম। কিছু বাতাস বইছে এলোমেলো। অন্য সময়ে এগুলো কি চোখে পড়ত?‌ গায়ে লাগত?‌ বোধহয় না। এখন পড়ছে। কারণ, চারদিকে পৃথিবীতে বাকি কোথাও কোনও হেলদোল নেই। সকাল থেকে গুরু দত্তের ছবির গান শুনলাম। শুরু হয়েছিল ‘হাম আপ কি আঁখো মেঁ ইস দিল কো বসা দে তো?‌’ প্রশ্ন দিয়ে। একটু আগে শেষ হল ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল জিনা ইঁয়াহাঁ’ দিয়ে।

অন্ধ্রপ্রদেশে এক দম্পতির যমজ সন্তান হয়েছে। নাম রাখা হয়েছে করোনাকুমার এবং করোনাকুমারী। পারেও লোকে!‌

দুপুর ১.‌১২

আজ থেকে চ্যানেলে–পোর্টালে অনলাইন ক্লাস শুরু হল। অনলাইনে যে আর কী কী হবে!‌ জীবনটা আস্তে আস্তে কল্পবিজ্ঞান কাহিনির মতো হয়ে যাচ্ছে।

কালোবাজারি এবং মজুতদারির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারগুলোকে চিঠি লিখে নির্দেশ দিয়েছে। আর ‘হু’কে ব্যাপক ঝেড়েছে ট্রাম্প। বলেছে, আমেরিকা আর ওদের টাকা দেবে না। কেন ‘হু’ আগে থেকে করোনা নিয়ে প্রিভেন্টিভ কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি?‌ কেন চিনের প্রতি পক্ষপাত দেখিয়েছে তারা? বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশের প্রেসিডেন্ট রেগে গিয়েছে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবার কার টাকায় ফুটুনি মারবে?‌ আমেরিকা টাকা না দিলে ‘হু’কে টাকা দেবে কে?‌ হু?‌!‌

দুপুর ১.‌৩৬

আজ ব্রাঞ্চ করেছি। চার স্লাইস পাউরুটি +‌গোটাকতক ডিম+‌কফি। রাজার ব্রাঞ্চ!‌ কাল অফিসে এক সহকর্মী আক্ষেপ করছিল, বাজারে ব্রাউন ব্রেড পাওয়া যাচ্ছে না। শুনে দুঃখে প্রায় কান্না পেয়ে যাচ্ছিল। অনেক কষ্টে চোখের জল আটকালাম।

দুপুর ১.‌৫৫

বাড়ির কাজগুলো সড়গড় হয়ে যাওয়ায় ইদানীং হাতে একটু সময় বেঁচে যায়। আর হাতে বাড়তি সময় থাকলে আমার মতো অস্থিরমতি মানুষ নানা অড জব করার চেষ্টা করে থাকে। বাবা–মা’কে খেতে দেওয়া, ঘর মোছা, রান্না ইত্যাদির পর আজ ভেবেছিলাম, বাড়ি থেকে আনা ট্রিমারটা দিয়ে চুলটা ট্রিম করার চেষ্টা করব। কিন্তু পাওয়ার প্লাগে তারটা গোঁজার পর ঝপ করে মনে পড়ল, আশপাশের দু–একখানা যা নমুনা দেখছি (রাকা, বিপ্লব) তাতে ওই অপচেষ্টা না করাই ভাল। এমনিতেই পারফেকশনকে ইমপ্রুভ করা মুশকিল (‌সৌজন্য:‌ আমির খান, দিল চাহ্‌তা হ্যায়)‌।

দুপুর ৩.‌৩৫

আজ অফিসে চাপের দিন। তাড়াতাড়ি এসে কাজ শুরু করে দিয়েছি। অস্যার্থ:‌ আজ ডায়েরিতে ঘনঘন এন্ট্রি করার সুযোগ নেই।

দুপুর ৩.‌৪৫

নেতাদের সঙ্গে সর্বদলীয় ভিডিও বৈঠকে মোদির ইঙ্গিত, লকডাউন উঠবে না ১৪ তারিখ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তেমনই মতামত আসছে। এটা প্রত্যাশিতই ছিল। মোদি জানিয়েছেন, শুক্রবার, অর্থাৎ ১০ তারিখ পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে শনিবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। তাঁদের মতামতের সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার। শুনে–টুনে মনে হচ্ছিল, সারা দেশ তো ভাবছে, ১৫ তারিখ থেকে আবার হুল্লোড় করতে বেরিয়ে পড়বে। লকডাউন চালু থাকলে গণহতাশা জনিত গণরোষের বিস্ফোরণ না হয়!‌

বিকেল ৪.‌৩৫

উপায় নেই। যত কাজই থাক, একফাঁকে দৌড়ে এসে এটা লিখতেই হচ্ছে। করোনার বাজারে সেরা স্টোরিটা ব্রেক করে দিল কলকাতা টিভি–র সঞ্জয় ভদ্র। কলকাতা পুলিশ আজ থেকে মদের হোম ডেলিভারি চালু করার ব্যাপারে নির্দেশ জারি করেছে। সমস্ত থানার ওসি-র কাছে নির্দেশ গিয়েছে। লোকে বাড়ি থেকে বেরোতে পারবে না। কিন্তু সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টোর মধ্যে এলাকার দোকানে ফোন করে মদের অর্ডার দেওয়া যাবে। এলাকার থানার অনুমতি সাপেক্ষে দোকান বাড়ি বাড়ি মদ পৌঁছে দেবে। চারদিকে হুলুস্থূল পড়েছে। দিকে দিকে পিপাসুদের উল্লাস। ঘনঘন ফোন— খবরটা ঠিক?‌ আর জেলার লোকেদের চরম হতাশা— আমাদের এখানে কবে চালু হবে?‌ এই না হলে খবর! গ্রেট স্টোরি!‌ জাত রিপোর্টার। স্যালুট।

বিকেল ৫.‌১০

রাজ্যে আরও ৩টি টাস্ক ফোর্স গঠন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশিই জানালেন, বিশেষজ্ঞরা তাঁকে বলেছেন, ১৯ মে পর্যন্ত লকডাউন চলা উচিত। এটা তাঁর মত নয়। তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেনও না। বিশেষজ্ঞরা তাঁকে এই তারিখটা বলেছেন। এইপর্যন্তই। আরও বললেন, লকডাউনে বাংলার মানুষের কষ্ট হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু ১৯ মে পর্যন্ত রাখতে হলে কষ্ট করেও তিনি মেনে নেবেন।

বিবৃতিটা ইন্টারেস্টিং লাগল। কারণ, বিশেষজ্ঞদের কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী ১৯ মে তারিখটা ভাসিয়ে রাখলেন। আরও ইন্টারেস্টিং এই কারণে যে, এই প্রথম একটা নির্দিষ্ট তারিখ শোনা গেল। এই প্রথম। দেখা যাক।

সন্ধ্যা ৬.‌০৫

কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, মদের হোম ডেলিভারির খবরটা ভুল। এমন কোনও নির্দেশিকা নাকি জারিই করা হয়নি। কলকাতা টিভি ছাড়া সমস্ত চ্যানেল এবং পোর্টাল খবরটা তুলে নিয়েছে। মন বলছে, কোথাও একটা বড় গুবলু হয়েছে। সঞ্জয় ভুল খবর করার লোক নয়। শুধু সঞ্জয় কেন, কোনও রিপোর্টারই ২০০ পার্সেন্ট নিশ্চিত না হয়ে ওই খবর ফাইল করবে না। গোলমাল আছে। এখন সময় নেই। পরে একটু খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

সন্ধ্যা ৭.‌০০

ফেসবুকে আমার ওয়ালে সুদীপ লিখেছেন, পূরব কোহলি ‘আ ওয়েডনেস ডে’তে অভিনয় করেননি। করেছিলেন গৌরব কাপুর। একেবারে ঠিক লিখেছেন। আমারই ভুল। আজ সংশোধন করে দেব। বয়স হচ্ছে। স্মৃতিভ্রংশ হচ্ছে আস্তে আস্তে। কিন্তু এটা দেখেও চমৎকৃত এবং সম্মানিত লাগল যে, লোকে কত মন দিয়ে পড়ে।

সন্ধ্যা ৭.‌১৯

কলকাতা পুলিশ এবং নবান্ন এইমাত্র বিবৃতি দিয়ে জানাল, মদের হোম ডেলিভারির সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত। আগে নির্দেশ দেওয়া হলেও আপাতত তা বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতদ্বারা এটা আরও স্পষ্ট হল যে, কিছু একটা গুবলু হয়েছে। খুঁজতে হবে।

রাত ১০.‌১২

দম ফেলার ফুরসত ছিল না। কিছুক্ষণ আগে অবশেষে পেজ রিলিজ করলাম সকলে মিলে। এক একটা দিন এমন যায়। যখন বুঝতে পারি, বয়সটা আর আগের জায়গায় নেই। কালই এক প্রাক্তন সহকর্মীকে ফোনে বলছিলাম, কেরিয়ারের স্লগ ওভারে এসে গিয়েছি। কিন্তু বরাবরই যেহেতু খানিক অর্থোডক্স খেলতে অভ্যস্ত, তাই এখনও ধুমধাড়াক্কা চালাতে পারছি না। ৫০ ওভারের ম্যাচে ৪৫ ওভার চলে গিয়েছে। কিন্তু ব্যাট করছি রাহুল দ্রাবিড়ের মতো। দেখা যাক, এভাবে যা রান ওঠে।

রাত ১০.‌২২

গুবলুটা পেয়েছি। নির্দেশটা জারি হয়েছিল। ঘটনাচক্রে, সেই নির্দেশের একটা কপিও হাতে এল। যাতে স্পষ্ট লেখা, আজ (‌০৮.‌০৪.‌২০২০)‌ থেকে লকডাউন চলা পর্যন্ত বৈধ লিকার লাইসেন্সধারী অন শপ / ‌অফ শপ /‌ বার /‌ হোটেল /‌ রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি থেকে হোম ডেলিভারিতে লিকার বিক্রি করা যাবে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টোর মধ্যে পাবলিক তাদের নিকটবর্তী দোকান ইত্যাদিতে ফোনে অর্ডার দিতে পারবে। কাউকে মদ কিনতে আসতে দেওয়া হবে না। ডেলিভারি ম্যানরা দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে ওইদিন সংশ্লিষ্ট বাড়িতে মদ পৌঁছে দেবে। মদ্য ব্যবসায়ীদের তাঁদের এলাকার থানা থেকে ডেলিভারি ম্যানদের প্রয়োজনীয় পাস সংগ্রহ করতে হবে। ওসি /‌ অ্যাডিশনাল ওসি–রা প্রতিটি দোকানকে সর্বাধিক তিনটি করে পাস দিতে পারবেন। সমস্ত পাসে ওসি /‌ অ্যাডিশনাল ওসি–র সই থাকবে। সই থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল ডিসি–র। সমস্ত ডিসি–কে বলা হয়েছে থানার ওসি–দের ব্রিফ করতে।

এই নির্দেশটি গেজেটে ছাপা এবং বিতরণের জন্য চলে গিয়েছিল। আইপিএস–দের সরকারি হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপে নির্দেশটি পাঠিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি, হেডকোয়ার্টার্স।

কলকাতা পুলিশে মোট ৮০টা থানা এখন। কোনও না কোনও থানা থেকে খবরটা বেরোবে না, এটা ভাবা বাতুলতা। খবর বেরোল এবং চরাচরে এমন হিল্লোল তুলল, যে করোনাভাইরাসও সেই সংক্রমণের কাছে হেরে গেল। আর ত্রাহি মধুসূদন রব উঠল প্রশাসনে। জয়েন্ট সিপি–র মিডিয়ার হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন, এই খবরটা কি ঠিক?‌ জয়েন্ট সিপি লিখলেন, ‘ইনকারেক্ট।’ যার প্রেক্ষিতে অন্য এক রিপোর্টার লিখলেন, ‘কিন্তু এক্সাইজ দফতরের লোকজন তো বলছে, খবরটা ঠিক। তাহলে কি আপনি এটাকে ফেক নিউজ বলছেন?‌’

সেই কথোপকথনের স্ক্রিনশট বলছে, জয়েন্ট সিপি নিরুত্তর ছিলেন। ঘটনাচক্রে, তার কিছু পরে সংশ্লিষ্ট গ্রুপে ‘ইনকারেক্ট’ শব্দটি আর দেখা যায়নি।

যায়নি। কারণ, খবরটা ভুল ছিল না। ভুল যে ছিল না, তার প্রমাণ মদের হোম ডেলিভারির জন্য অশোকস্তম্ভের নীচে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লেটারহেডে প্রয়োজনীয় ছাপানো পাস। যা ইস্যু করা হবে পুলিশ এবং এক্সাইজ কর্তার নাম এবং সই–সহ। সেই পাস ততক্ষণে বিভিন্ন থানায় পৌঁছেও গিয়েছে। যাতে নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ্‌ড ছবির জন্য। রয়েছে তিনটি শর্তও। ১.‌ বিক্রিত মদের বৈধ ক্যাশমেমো থাকতে হবে। ২.‌ সংশ্লিষ্ট থানা এলাকার বাইরে কোথাও ডেলিভারি ম্যান মদ দিতে যেতে পারবে না এবং ৩.‌ ডেলিভারি ম্যানের কাছে বৈধ পরিচয়পত্র থাকতে হবে (‌ভোটার কার্ড / আধার কার্ড /‌ প্যান কার্ড /‌ ড্রাইভিং লাইসেন্স ‌ইত্যাদি)‌।

এই গুবলুর পর আর কী করে নির্দেশ জারি হওয়ার কথা অস্বীকার করা যায়!‌

সর্বব্যাপী হতাশার মধ্যে চারদিকে ফোন ঘুরিয়ে আরও যা জানা গেল, লকডাউনে পাঁড় মাতালদের বাড়িতে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ছে। উইথড্রয়াল সিম্পটম–তাড়িত হয়ে তারা ছুতোনাতায় বেরিয়েই পড়ছে বাইরে। মরিয়া ভিড় জমাচ্ছে ইতিউতি। ফাঁপরে পড়েছে পুলিশ। লকডাউন না রক্ষা করলে ছিছিক্কার পড়ছে। রক্ষা করতে গেলে মাতালের পিছনে দৌড়ে জান বেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে ঠিক হয়েছিল, চুপিচাপি ব্যাপারটা শুরু করা হবে। প্রথম কলকাতা। তারপর পরিস্থিতি বুঝে জেলায় জেলায়। কারণ, সেখানেই নাকি নাভিশ্বাস বেশি উঠছে। খবর বেরিয়ে গিয়েই কেলেঙ্কারি হয়েছে!‌

খবরটা ও করার পর টি–টোটালার সঞ্জয়ের (‌এটা একেবারেই ঘটনাচক্র যে, আমার মতে পৃথিবীর আদিতম রিপোর্টারের নাম সঞ্জয়। যিনি কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের রিপোর্ট করতেন অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রের জন্য)‌ ফেসবুক ওয়ালে গিয়ে লিখে এসেছিলাম, ‘গ্রেট স্টোরি। কিপ ইট আপ। সো মেনি উইল ব্লেস ইউ টুডে।’ তবে ওর খবরের জেরে ঘটনা যেদিকে গড়াল, তাতে বেচারাকে উচাটন মাতালদের হাতে গণধোলাই না খেতে হয়!‌ প্রবীণ রিপোর্টারের ‘গাট’ অবশ্য বলছে, মদের হোম ডেলিভারিটা চালু হবে। তবে আর ঢাক পিটিয়ে নয়। আবডাল রেখে। ঘরবন্দি মানুষকে কিছু তো একটা দিতে হবে। নইলে তো ঘরে ঘরে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দেবে!‌

এই লকডাউন ডায়েরিতে লেখা থাক, ওর খবর ‘ভুল’ বলার পর সঞ্জয় ফেসবুকে প্রকাশ্যে পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, খবর ভুল হলে ফেক নিউজ করার অভিযোগে ওকে অ্যারেস্ট করা হোক। ও ওর খবরের পক্ষে যাবতীয় প্রমাণ দিতে তৈরি। ঘটনাচক্রে, তার পরেই যৌথ বিবৃতি আসে, নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল। তবে তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

লকডাউনের মন্দা এবং বোরিং বাজারে এখনও পর্যন্ত সেরা থ্রিলার এটাই। ভাবতে ভাল লাগছে, সেই থ্রিলারের নায়ক হয়ে রইল এক সাংবাদিক। যাদের এমনিতে পার্শ্বচরিত্রও জোটে না। এমনকী, ‘কাব্যে উপেক্ষিতা’র মতো গরিমাময় বিশেষণও তাদের ক্ষেত্রে কেউ প্রয়োগ করে না। বড়জোর বলে, ছাগলের সপ্তম সন্তান।

ফাটিয়ে দিয়েছিস সঞ্জয়। তোকে আবার স্যালুট!‌

2 thoughts on “‌লকডাউন ডায়েরি – ৮ এপ্রিল, ২০২০

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s