লকডাউন ডায়েরি – ২ এপ্রিল, ২০২০

০২.‌০৪.‌২০২০

রাত ১.‌০৬

এই প্রথম এত রাতে লিখছি। কাল রাতে লাস্ট এন্ট্রি করে ডায়েরি বন্ধ করেছিলাম। সাধারণত তারপর সামান্য খেয়ে একটা বই হাতে বা নেটফ্লিক্স মুখে শুয়ে পড়ি। আজও পড়েছিলাম। কিন্তু ঘুম আসছে না। ভয় করছে। দুশ্চিন্তা হচ্ছে। খানিক আগে একবার বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালাম। ধূসর, কালচে আকাশ। হাওয়া নেই একটুও। কোনও গাছের পাতা নড়ছে না। থম মেরে আছে চরাচর। বারবার মনে হচ্ছিল— কেন এমন হল?‌

টম হ্যাঙ্কসের ‘দ্য সার্কল’ দেখতে শুরু করেছিলাম নেটফ্লিক্সে। ভাল লাগল না। ইদানিং কিছুই ভাল লাগে না। যা যা আমার এই বয়সে খাওয়া উচিত নয়, রাতে আচ্ছা করে সেগুলো খেয়েছি। ডিম, মাখন আর ভাত। এই অবস্থায় ইলাবোরেট ডিনার!‌ বোধহয় খানিকটা জোর করে স্বাভাবিকতা আনার চেষ্টা। কিন্তু এ–ও আর কতদিন জুটবে?‌ এটুকুও কি জুটছে সকলের?‌ গরিব মানুষগুলোর পেটে আবার ভাত জুটবে?‌ অবশ্য সেসব নিয়ে আর কে মাথা ঘামাচ্ছে এখন। কিন্তু বরাবর দেখেছি, হতদরিদ্র মানুষের জীবনে স্বাস্থ্যের চেয়ে খাদ্যের মূল্য অনেক বেশি। গরিব হলে কি তাদের পেটের খোঁদল বেশি বড় হয়?‌ খাদ্যাভ্যাস নিয়ে যত চিন্তা তো মধ্য এবং উচ্চবিত্তদের। অমুকটা খেলে সুগার হবে। তমুকটা খেলে কোলেস্টেরল। গরিব মানুষের অত চিন্তার সময় কোথায়?‌

সকাল ৮.‌২৪

এপাশ–ওপাশ করতে করতে গভীর রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। উঠে দেখছি, সারা পৃথিবীতে করোনা–আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৪৭ হাজার। জীবনটা কি আর কখনও আগের মতো হবে?‌ কোনওদিন?‌ টুইটারে দেখলাম, স্প্যানিশ ফ্লু–র প্রকোপ জারি ছিল ১৯১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। মৃত্যু হয়েছিল গোটা দুনিয়ার তৎকালীন জনসংখ্যার এক–চতুর্থাংশের। পড়লেই ক্লান্ত লাগে।

তৃণমূলের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে জানানো হয়েছে, গতকাল পর্যন্ত রাজ্যে দেওয়া হয়েছে—
১,১১,৩৯৪টি পিপিই
৪২,২৯৬টি এন–৯৫ মাস্ক
১,৬০,০০০টি সেকেন্ড লেয়ার মাস্ক
১৮,৩৬৩টি স্যানিটাইজার
৩,২০০টি থার্মাল প্রোটেকশন
এ ছাড়াও পুলিশ, চালকলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, রেশন ডিলার–সহ আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত ব্যক্তিদের আরও অতিরিক্ত মাস্ক দেওয়া হয়েছে।

সকাল ৯.‌০৭

এই হাহাকারের মধ্যে একটা টুইট পড়লাম:‌ ‘আমরা রোজ একটা পৃথিবীতে ঘুমোতে যাচ্ছি। জেগে উঠছি অন্য একটা পৃথিবীতে। যেখানে প্যারিস আর রোমান্টিক নেই। নিউইয়র্ক আর মাথা তুলে দাঁড়িয়ে নেই। চিনের প্রাচীর আর দুর্ভেদ্য দুর্গ নয়। আলিঙ্গন যেখানে মারণরোগ ছড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার। এখন ভালবাসা মানে বাবা–মায়ের থেকে দূরে থাকা। তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে না–যাওয়া। পৃথিবী আমাদের বার্তা দিচ্ছে, তোমরা আমার অতিথি। মনিব নও।’

এটাই ভাবছিলাম আগের এন্ট্রিটা করার সময়। জীবনটা কি আর কখনও আগের মতো হবে?‌

সকাল ৯.‌১৩

২০১১ সালে এইদিনে ভারত বিশ্বকাপ জিতেছিল। ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই অমর ছক্কা। তখন ভাবতে পেরেছিলাম, ৯ বছর পর বিশ্বকাপ কেন, জীবনটাই এইরকম অনিত্য মনে হবে। মনে হবে, ৯ বছর তো অনেক দূরের কথা। ৯ দিন পর কী হবে তাই তো জানি না!‌

বেলা ১২.‌০৪

উত্তরপ্রদেশের রামপুর, বিহারের মুঙ্গেরে পুলিশের উপর পাথর আর ইটপাটকেল পড়েছে। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ইন্দোরে দুই স্বাস্থ্যকর্মী এবং এক মহিলা চিকিৎসককে তাড়া করে বেধড়ক মারধর করেছে জনতা। অরাজকতা বোধহয় শুরু হয়েই গেল। মন বলছে, এটা আরও বাড়বে। ভায়োলেন্স বাড়বে চারদিকে।

অনেকের গাঁজার স্টক ফুরিয়ে আসছে। রেশন করে জয়েন্ট টানতে হচ্ছে। পাতাখোররা ঝিমিয়ে পড়ছে। মদ না পেয়ে উইথড্রয়াল সিম্পটম দেখা দিচ্ছে মাতালদের। তারা অক্ষম ক্রোধে বাড়িতে বউ পেটাচ্ছে। ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বেড়ে গিয়েছে দেশে। মনে হচ্ছিল, সারা দেশের অধিকাংশ বাড়ি আসলে এখন রিয়েল টাইম ‘বিগ বস’ হাউস। দিনের বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকার ফলে যে সম্পর্কগুলো আলগা সুতোয় হলেও ঝুলে ছিল, সেগুলো বোধহয় এবার ছিঁড়ে যেতে শুরু করবে। একটা টাইম বোমা টিকটিক করে চলছিল বিস্ফোরণের অপেক্ষায়। তার সলতে পাকানো শুরু হয়ে গিয়েছে।সকলেই মুখে মুখোশ পরে আরও একলা হয়ে যাবে।

দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫০ ছুঁল। তার সঙ্গেই জরুরি তথ্য— আজ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভক্তিভরে মন্দিরে মন্দিরে পুজো দিয়ে রামনবমী পালিত হচ্ছে। এমনকী, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের রাম মন্দিরেও। টুইটারে দেখলাম এক সাংবাদিক লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে আগে কখনও রামনবমী পালিত হতো না। এই সঙ্ঘীরা এসে এটা শুরু করেছে। তৃণমূল তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে এই অবস্থাতেও রামনবমী পালন করছে।’

অবশেষে আজ নীচের একটা ঘর ‘মপ’ দিয়ে মুছলাম। খুব বেশি পরিশ্রম হল না। প্রথমদিকে একদিন পর পর করা যেতেই পারে। ড্রাইভওয়েটাও ঝেঁটিয়ে সাফসুতরো করে গাড়িটা ঢুকিয়ে রাখলাম। বেচারাকে অন্তত রোদের তাত থেকে একটু বাঁচানো গেল। নিজেকেও। অফিস যাওয়ার সময় ভিতরটা তেতে ব্লাস্ট ফার্নেসের মতো হয়ে থাকে। আজ যদি একটু রেহাই পাওয়া যায়।

দুপুর ১.‌০৮

বাড়িতে কাজ ক্রমশ বাড়ছে। তাই আজকাল আর সকালের দিকটায় ডায়েরি লেখার সময় পাই না। ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে দিতে বিরক্তিও বাড়ছে। বরাবরই প্রকৃতিগতভাবে ছটফটে। এখন ধীরস্থির হতে হয়েছে পাকেচক্রে। এই বয়সে এসে স্বভাব–বিরোধিতা আর কতদিন নেওয়া যায়!‌

দুপুর ২.‌০৪

ড্রয়িংরুমের পেলমেটের উপর অনেকক্ষণ ধরে একটা টিকটিকি একইরকমভাবে বসে আছে। নট নড়নচড়ন। দেখতে দেখতে মনে হল, ওর মতো ধৈর্য দরকার। চারপাশে রোজ যা ঘটছে, তার থেকে নিজেকে বিযুক্ত করে সম্পূর্ণ অবলিভিয়নে চলে যেতে হবে। সবকিছু ডিনায়েলে রেখে চুপটি করে বসে থাকতে হবে। ওই টিকটিকিটার মতো।

দুপুর ৩.‌০৪

অফিসে বেরোলাম। গাড়ির অন্দরমহল আজ তুলনায় সহনীয়। বেরোনর সময় দেখলাম টিকটিকিটা তখনও একইরকমভাবে একই জায়গায় বসে আছে।

বেলা ৪.‌১০

টিভি বলছে, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে রেলের বুকিং খুলে দেওয়া হল। এ কীসের ইঙ্গিত?‌ লকডাউন শেষের?‌ নাকি লকডাউন তুলে নিয়ে অতিমারীকে আরও ছড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার?‌ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি রাজীব গৌবা সেদিন বলেছিলেন, ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউন বাড়বে, এমন কোনও কথা নেই। তখন বিশ্বাস করিনি। তাহলে কি তিনি সত্যিই বলেছিলেন?‌ সাসপেন্স তৈরি হচ্ছে তো।

বিপ্লব আজ আবার গিয়েছিল ময়দানে। ঘোড়াটা নেই। বলল, ‘লকডাউন ডায়েরি’–তে ময়দানে ঘোড়ার মৃতদেহ পড়ে থাকার কথা পড়ে দিল্লি থেকে কেউ একজন কাল রাতেই ওকে ফোন করেছিলেন। তারপরেই নাড়াচাড়া শুরু হয়ে থাকবে। আমার মেসেঞ্জারেও শুভব্রত মেসেজ পাঠিয়ে অনেকগুলো নম্বর দিল, যাঁরা সাহায্য করতে পারেন। সম্ভবত অবোলা জীবটার একটা সদ্গতি হয়েছে। এখনো যে এমন মানুষ আছেন, জেনে স্বস্তি বোধ হয়।

সন্ধ্যা ৬.‌০০

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ জানিয়েছিল, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৭ জন মৃত। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। আক্রান্ত মোট ৫৩ জন। প্রধানমন্ত্রী আজ সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন। যেখানে তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীরা যেন লকডাউন পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকেন। পশ্চিমবঙ্গের তরফে হাজির ছিলেন মুখ্যসচিব রাজীব সিন্‌হা। যিনি এইমাত্র আবার রাজ্য সরকারের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে হিসেব এবং পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন, রাজ্যে করোনা পজেটিভ ৫৩ নয়, আসলে ৩৪ জন। করোনায় মৃত ৩ জন। বাকি ৪ জনের কো–মর্বিডিটি ছিল। অর্থাৎ, তাঁরা অন্য অসুখ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। মৃত্যুর জাস্ট আগে টেস্ট করিয়ে দেখা গিয়েছে, তাঁদের করোনা ছিল। তাহলে রাজ্য সরকারের হিসেব গিয়ে দাঁড়াল ৫৩ মাইনাস ৩ (‌যাঁরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন) মাইনাস ৯ (‌যাঁদের দ্বিতীয় পরীক্ষা নেগেটিভ এসেছে)‌ মাইনাস ৩ (যাঁদের করোনায় মৃত্যু কনফার্মড)‌ ‌মাইনাস ৪ (‌যাঁরা কো–মর্বিডিটিতে মারা গিয়েছেন)‌ ইকুয়াল টু ৩৪।

মুম্বইয়ের ধারাভিতে যাঁর দেহে করোনাভাইরাস মিলেছিল, তিনি মারা গিয়েছেন। ৫৬ বছরের সেই ব্যক্তির পরিবারের ৩ জনের দেহে ভাইরাস মিলেছে। ধারাভি ৫১৬ একরের একটি বিপুল বস্তি। বাসিন্দা আনুমানিক ১০ লক্ষ।

গাড়ি আর স্বাস্থ্য বিমার মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। কাল সকাল ৯টায় দেশবাসীকে ভিডিও বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আর রাজ্যপালদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

বিকেল ৫.‌৩০

১০ নম্বর ট্যাঙ্কের কাছে পেট্রল পাম্পে গাড়িতে তেল ভরতে গিয়েছিলাম। দু‘টি জিনিস জানা গেল। এক, এই পেট্রল পাম্প এখন ২৪ ঘন্টাই খোলা থাকছে। দ্বিতীয়ত, লোকে এখন পেট্রলও মজুত করছে। আমার ঠিক আগেই এক মোটরবাইক আরোহী গাড়িতে তেল ভরার পর ব্যাকপ্যাক থেকে পেপসির দু’লিটারের ফাঁকা বোতল বার করে সেটাও ভরে নিলেন।

সন্ধ্যা ৬.‌২৩

কেন্দ্রীয় সরকার কাল রাতে ঘোষণা করেছিল, ক্লাস ওয়ান থেকে এইট পর্যন্ত দিল্লি বোর্ড তাদের সমস্ত ছাত্রছাত্রীকে প্রোমোশন দিয়ে দেবে এ বছর। আজ একটু আগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এ বছর রাজ্যের সব স্কুলে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সকলকে প্রমোশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্লাস নাইন, টেন, ইলেভেন এবং টুয়েলভ নিয়ে শিক্ষা দফতর আলোচনা করে একটা অনলাইন পঠনপাঠনের কথা ভাবছে।

সন্ধ্যা ৭.‌২৪

ফেসবুকে ভিডিও দেখলাম। ক্রিয়েটিভ এবং সময়োপযোগী কলকাতা পুলিশ। একডালিয়ায় মাস্ক এবং গ্লাভস–পরিহিত পুলিশ অফিসার কর্ডলেসে প্রথমে গাইছেন ‘উই শ্যাল ওভারকাম’। পরপর ইংরেজি, হিন্দি এবং বাংলায়। সঙ্গী অফিসাররা গলা মেলাচ্ছেন। তারপর অঞ্জন দত্তের ‘বেলা বোস’ গানের কথা কোভিডে পাল্টে পুলিশের হেল্পলাইন নম্বর ব্যবহার করে সেই সুরে। পুলিশকর্মীদের হাতের মোবাইলে জ্বলছে আলো। তাঁদের সঙ্গে আশপাশের বাড়ির ব্যালকনি থেকেও গলা মেলাচ্ছেন নাগরিকরা। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে দোলাচ্ছেন গানের তালে তালে। অফিসারের দিব্যি গলা। সুরে বসছে চমৎকার।

রাত ৮.‌০২

পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে করোনা মোকাবিলায় ৫০ হাজার পিপিই কিট পাঠাচ্ছেন বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর শাহরুখ খান।

রাত ১০.‌৩০

ডায়েরি বন্ধ করার আগে হারুকি মুরাকামি মনে পড়ছে— ‘অ্যান্ড ওয়ান্‌স দ্য স্টর্ম ইজ ওভার, ইউ ওন্ট রিমেম্বার হাউ ইউ মেড ইট থ্রু, হাউ ইউ ম্যানেজ্‌ড টু সারভাইভ। ইউ ওন্ট ইভন বি শিওর হোয়েদার দ্য স্টর্ম ইজ রিয়েলি ওভার। বাট ওয়ান থিং ইজ সার্টেন। হোয়েন ইউ কাম আউট অফ দ্য স্টর্ম, ইউ ওন্ট বি দ্য সেম পার্সন হু ওয়াক্‌ড ইন। দ্যাট্‌স হোয়াট দিস স্টর্ম ইজ অল অ্যাবাউট।’

‘ঝড় থেমে যাওয়ার পর তোমার মনেও থাকবে না যে, কীভাবে সময়টা পেরিয়ে এলে। কীভাবে বেঁচে রইলে। ঝড়টা সত্যি সত্যিই চলে গিয়েছে কিনা, তা নিয়েও নিশ্চিত হতে পারবে না। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত। ঝড় সামলে যখন তুমি ফিরে আসবে, তখন তুমি আর আগের লোকটা থাকবে না। এটাই এই ঝড়টার আসল কথা।’

আজকের মতো শেষ এন্ট্রি এটাই থাকুক না হয়।

One thought on “লকডাউন ডায়েরি – ২ এপ্রিল, ২০২০

  1. Online poranor kotha Ami Amar school e bolechhilam, pattai dilo na amake, othocho zoom e 40min er ekta class newai jeto. Sara din bari thakte giye bachha gulor j ki obostha hochhe seta nijer meye ta ke dekhe bujhtei parchhi. Tao valo j Ami jehetu ektu shanto prokritir meye ta khanik seta peyechhe… Aar eto kichur modhye o shanto i achhe. Kintu shotti ki lockdown er dorkar hobe na 15th er por! 21+28 hoole toh beshi valo hooto. Maane eto gulo din jokhon eto ta kosto kora hochhe tahole aar ektu baranoi jai. Tobe etao shotti ghorer ekta vison dom atkano poristhiti. Dujoneri ghorer dorja lock. Tarpor o dekha hoole sudhui kotha katakati hochhe. Lockdown sesh howar por ke j koto ta sustho hoye beche thakbo ke jane.

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s